মাগুরার শালিখা উপজেলার দরিশলই গ্রামে গতকাল সোমবার বিকেলে বিয়ে করতে এসে
এক বর তাঁর শ্বশুরকে পিটিয়েছেন। এ নিয়ে বরযাত্রীদের সঙ্গে মারামারিতে
জড়িয়ে পড়ে মেয়েপক্ষ। পরে ওই বরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে মামলা দেওয়া
হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই গ্রামের ওয়ালিদ হোসেনের মেয়ে ইতি খাতুনের (১৯) সঙ্গে প্রায় আড়াই মাস আগে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার মধ্যপাড়া গ্রামের নায়েব আলী মণ্ডলের ছেলে সাহিদুল ইসলামের (২৫) বিয়ে হয়। গতকাল বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়েকে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। মেয়ের বাড়িতে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেল চারটার দিকে চারটি মাইক্রোবাসে মেয়ের বাড়িতে বরসহ ৫০ জন বরযাত্রী আসেন। বিয়েবাড়িতে ঢোকার পথে একটি তোরণ নির্মাণ করে মেয়েপক্ষ। সেখানে লাল ফিতা বেঁধে চেয়ার-টেবিল পেতে মিষ্টি ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র রেখে বর ও বরযাত্রীদের বিয়েবাড়িতে ঢুকতে রেওয়াজ অনুযায়ী বাধা সৃষ্টি করা হয় এবং গেট ফি বাবদ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু বরপক্ষ কিছুতেই টাকাপয়সা দিতে চাচ্ছিল না।
একপর্যায়ে বর অভিযোগ তোলেন, তাঁর পায়ের নতুন জুতা মেয়েপক্ষ চুরি করেছে। তাই টাকা দেওয়া যাবে না। একপর্যায়ে কনের বাবা ওয়ালিদ হোসেন এলে সাহিদুল তাঁকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। বরযাত্রীরা মেয়েপক্ষের অন্য লোকজনের ওপর হামলা চালান। তাঁদের সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন মেয়েপক্ষ ও গ্রামের লোকজন। একপর্যায়ে বর ও বরযাত্রীদের আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়িতে যায়। মেয়েপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বর সাহিদুল ইসলামকে আটক করে।
ওয়ালিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিয়ে করতে এসে সবাই রেওয়াজ অনুযায়ী গেটে টাকা দেয়। কিন্তু ওই টাকা দেবে না বলে ছেলে জুতা চুরির নাটক সাজিয়েছে। ওমন জামাই আমার দরকার নেই। ওর সঙ্গে মেয়ে বিয়ে দিয়ে ভুল করেছি। ’
পুলিশের হাতে আটক অবস্থায় সাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গেটে আসার পরই আমার জুতা চুরি হয়ে যায়। এ জন্য মাথা ঠিক ছিল না। তাই ওই ঘটনা ঘটেছে।’
কনে ইতি খাতুন বলেন, ‘যে বর বিয়ে করতে এসে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে মারামারি করতে পারে তাঁর সঙ্গে ঘর-সংসার করা অসম্ভব। একবার আমাকে ওই বাড়ি নিতে পারলে মেরে ফেলবে। আমরা পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ওকে আমি তালাক দেব।’
শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিয়ে করতে এসে দাঙ্গা-মারামারি করার অভিযোগে মেয়ের বাবা ছেলের (বর) বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। বরকে থানা হাজতখানায় রেখেছি। কাল সকালে (আজ মঙ্গলবার) আদালতে চালান করা হবে।’
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই গ্রামের ওয়ালিদ হোসেনের মেয়ে ইতি খাতুনের (১৯) সঙ্গে প্রায় আড়াই মাস আগে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার মধ্যপাড়া গ্রামের নায়েব আলী মণ্ডলের ছেলে সাহিদুল ইসলামের (২৫) বিয়ে হয়। গতকাল বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়েকে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। মেয়ের বাড়িতে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেল চারটার দিকে চারটি মাইক্রোবাসে মেয়ের বাড়িতে বরসহ ৫০ জন বরযাত্রী আসেন। বিয়েবাড়িতে ঢোকার পথে একটি তোরণ নির্মাণ করে মেয়েপক্ষ। সেখানে লাল ফিতা বেঁধে চেয়ার-টেবিল পেতে মিষ্টি ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র রেখে বর ও বরযাত্রীদের বিয়েবাড়িতে ঢুকতে রেওয়াজ অনুযায়ী বাধা সৃষ্টি করা হয় এবং গেট ফি বাবদ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু বরপক্ষ কিছুতেই টাকাপয়সা দিতে চাচ্ছিল না।
একপর্যায়ে বর অভিযোগ তোলেন, তাঁর পায়ের নতুন জুতা মেয়েপক্ষ চুরি করেছে। তাই টাকা দেওয়া যাবে না। একপর্যায়ে কনের বাবা ওয়ালিদ হোসেন এলে সাহিদুল তাঁকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। বরযাত্রীরা মেয়েপক্ষের অন্য লোকজনের ওপর হামলা চালান। তাঁদের সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন মেয়েপক্ষ ও গ্রামের লোকজন। একপর্যায়ে বর ও বরযাত্রীদের আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়িতে যায়। মেয়েপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বর সাহিদুল ইসলামকে আটক করে।
ওয়ালিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিয়ে করতে এসে সবাই রেওয়াজ অনুযায়ী গেটে টাকা দেয়। কিন্তু ওই টাকা দেবে না বলে ছেলে জুতা চুরির নাটক সাজিয়েছে। ওমন জামাই আমার দরকার নেই। ওর সঙ্গে মেয়ে বিয়ে দিয়ে ভুল করেছি। ’
পুলিশের হাতে আটক অবস্থায় সাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গেটে আসার পরই আমার জুতা চুরি হয়ে যায়। এ জন্য মাথা ঠিক ছিল না। তাই ওই ঘটনা ঘটেছে।’
কনে ইতি খাতুন বলেন, ‘যে বর বিয়ে করতে এসে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে মারামারি করতে পারে তাঁর সঙ্গে ঘর-সংসার করা অসম্ভব। একবার আমাকে ওই বাড়ি নিতে পারলে মেরে ফেলবে। আমরা পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ওকে আমি তালাক দেব।’
শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিয়ে করতে এসে দাঙ্গা-মারামারি করার অভিযোগে মেয়ের বাবা ছেলের (বর) বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। বরকে থানা হাজতখানায় রেখেছি। কাল সকালে (আজ মঙ্গলবার) আদালতে চালান করা হবে।’
No comments:
Post a Comment