সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ আজ মঙ্গলবার মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মরদেহ কোকোর মা খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের দিকে নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময় দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কোকোর মরদেহবাহী মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের প্যাসেঞ্জার সার্ভিস স্পেশালিস্ট মাহমুদুল হাসান হিমেল প্রথম আলোকে বলেন, বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কোকোর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। একই বিমানে ঢাকায় এসেছেন কোকোর স্ত্রী, দুই মেয়ে, মামা শামীম এস্কান্দার ও খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী। মরদেহবাহী বিমানটি বাংলাদেশ সময় সকাল আটটার দিকে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
কোকোর মরদেহ বহনে বেলা ১১টার দিকে আলিফ মেডিকেল সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্স বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেটে ঢোকে। এই অ্যাম্বুলেন্সে করেই তাঁর মরদেহ গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে।
কোকোর মরদেহ গ্রহণের জন্য বেলা ১১টার দিকে বিএনপির কয়েকজন নেতা বিমানবন্দরে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আবদুল মঈন খান, আবদুল্লাহ আল নোমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ফজলুল হক মিলন, গিয়াস কাদের চৌধুরী, আবদুল মান্নান প্রমুখ। তাঁরা বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেটের বাইরে অবস্থান করছিলেন।
বাংলাদেশ সময় দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কোকোর মরদেহবাহী মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের প্যাসেঞ্জার সার্ভিস স্পেশালিস্ট মাহমুদুল হাসান হিমেল প্রথম আলোকে বলেন, বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কোকোর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। একই বিমানে ঢাকায় এসেছেন কোকোর স্ত্রী, দুই মেয়ে, মামা শামীম এস্কান্দার ও খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী। মরদেহবাহী বিমানটি বাংলাদেশ সময় সকাল আটটার দিকে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
কোকোর মরদেহ বহনে বেলা ১১টার দিকে আলিফ মেডিকেল সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্স বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেটে ঢোকে। এই অ্যাম্বুলেন্সে করেই তাঁর মরদেহ গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে।
কোকোর মরদেহ গ্রহণের জন্য বেলা ১১টার দিকে বিএনপির কয়েকজন নেতা বিমানবন্দরে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আবদুল মঈন খান, আবদুল্লাহ আল নোমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ফজলুল হক মিলন, গিয়াস কাদের চৌধুরী, আবদুল মান্নান প্রমুখ। তাঁরা বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেটের বাইরে অবস্থান করছিলেন।
কোকোর মরদেহ আসা উপলক্ষে বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও র্যাব। বিমানবন্দর এলাকায় জড়ো হন বিএনপির কয়েক শ কর্মী। তবে তাঁদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
গতকাল সোমবার রাতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিমানবন্দর থেকে কোকোর মরদেহ সরাসরি গুলশানে নেওয়া হবে। সেখানে কেবল পরিবারের সদস্যরা থাকবেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সেখানে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা শেষবারের মতো দেখার পর কোকোর মরদেহ নেওয়া হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। সেখানে আজ বাদ আসর জানাজা হবে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আরাফাত রহমান অরাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন। তাই রাজনৈতিক দলসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে জানাজায় অংশ নিতে আহ্বান জানান তিনি।
আরাফাত রহমান গত শনিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরদিন কুয়ালালামপুরে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় সূত্রগুলো জানায়, প্রথমে চিন্তা ছিল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আরাফাত রহমানের জানাজা হবে। পরে খালেদা জিয়ার নির্দেশে বায়তুল মোকাররমে জানাজার আয়োজন করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তিনি কখনো বিএনপি বা অন্য কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এ কারণে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজার আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা শেষবারের মতো দেখার পর কোকোর মরদেহ নেওয়া হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। সেখানে আজ বাদ আসর জানাজা হবে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আরাফাত রহমান অরাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন। তাই রাজনৈতিক দলসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে জানাজায় অংশ নিতে আহ্বান জানান তিনি।
আরাফাত রহমান গত শনিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরদিন কুয়ালালামপুরে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় সূত্রগুলো জানায়, প্রথমে চিন্তা ছিল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আরাফাত রহমানের জানাজা হবে। পরে খালেদা জিয়ার নির্দেশে বায়তুল মোকাররমে জানাজার আয়োজন করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তিনি কখনো বিএনপি বা অন্য কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এ কারণে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজার আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

