গেলেন সাকিব আল হাসানও। মুমিনুল হকের মতো তিনিও শিকার ওই রানআউটেরই। রানআউট দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে এই মুহূর্তে বেশ বিপদেই আছে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১৪৭।
চাতারার একপি ডেলিভারি মাহমুদউল্লাহ বেশ জোরের সঙ্গেই খেলেছিলেন মিডঅফের দিকে। ফিল্ডার বলটি ধরে বেশ দ্রুতই তা ছুড়ে দেন বোলার চাতারার দিকে। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া সাকিবকে ফেরার সুযোগ না দিয়েই বোলার স্টাম্প ভেঙে দিলে দুর্ভাগ্যজনক বিদায় ঘটে দলের সেরা ক্রিকেটারের।
এর আগে রানআউট-দুর্ভোগের সূচনা করেন মুমিনুল হক। ব্যাটিংটা তিনি বেশ ভালোই করছিলেন। স্থিতধী ব্যাটিংয়ে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন আশাজাগানিয়া এক জুটি। নিজেও পেরিয়েছিলেন পঞ্চাশের কোটা। কিন্তু মধ্যাহ্নবিরতির আগ দিয়ে দ্রুত একটি রান নিতে গিয়ে তিনি পড়েন রানআউটের খাঁড়ায়।
সবচেয়ে হতাশাজনক ব্যাপার ছিল, ভালো খেলতে খেলতেই মুমিনুলের ক্রিকেটের প্রাথমিক-পাঠটা ভুলে যাওয়া। সিকান্দার রাজার থ্রোটা নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তের দিকে যখন উড়ে আসছিল, তখন ক্রিজে পৌঁছেও ব্যাটটা শূন্যে তুলে রেখেছিলেন মুমিনুল। তাঁর এই অমার্জনীয় মধ্যাহ্নবিরতির আগমুহূর্তে বেশ বিপদের মধ্যেই ফেলে দেয় বাংলাদেশকে। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে মুমিনুল যেভাবে খেলছিলেন, তা অনায়াসেই বড় একটা জুটির জন্ম দিতে পারত। কিন্তু মুমিনুলের বোকামি ভেস্তে দেয় সবকিছুই।
ব্যাটিং অর্ডারে আজ মাহমুদউল্লাহকে একটু ওপরেই তুলে আনা হয়েছে। তাঁর ওপর রাখা কোচের আস্থার প্রতিদান অবশ্য এই অলরাউন্ডার বেশ ভালোভাবেই দিচ্ছেন। আপাতত তিনি অপরাজিত আছেন ৪২ রানে। ১০১ বল খেলে বেশ দৃঢ়তার সঙ্গেই তিনি সাজাচ্ছেন নিজের ইনিংস।
সাকিবের রানআউটের পর মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী হয়েছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। মুশফিক অপরাজিত ২১ রানে। এই জুটির সাফল্যের ওপরই এই মুহূর্তে নির্ভর করছে বাংলাদেশের ইনিংসের গতি-প্রকৃতি।
দুই ‘ভায়রা ভাই’ কী পারবেন দলকে ভালো একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে?
চাতারার একপি ডেলিভারি মাহমুদউল্লাহ বেশ জোরের সঙ্গেই খেলেছিলেন মিডঅফের দিকে। ফিল্ডার বলটি ধরে বেশ দ্রুতই তা ছুড়ে দেন বোলার চাতারার দিকে। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া সাকিবকে ফেরার সুযোগ না দিয়েই বোলার স্টাম্প ভেঙে দিলে দুর্ভাগ্যজনক বিদায় ঘটে দলের সেরা ক্রিকেটারের।
এর আগে রানআউট-দুর্ভোগের সূচনা করেন মুমিনুল হক। ব্যাটিংটা তিনি বেশ ভালোই করছিলেন। স্থিতধী ব্যাটিংয়ে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন আশাজাগানিয়া এক জুটি। নিজেও পেরিয়েছিলেন পঞ্চাশের কোটা। কিন্তু মধ্যাহ্নবিরতির আগ দিয়ে দ্রুত একটি রান নিতে গিয়ে তিনি পড়েন রানআউটের খাঁড়ায়।
সবচেয়ে হতাশাজনক ব্যাপার ছিল, ভালো খেলতে খেলতেই মুমিনুলের ক্রিকেটের প্রাথমিক-পাঠটা ভুলে যাওয়া। সিকান্দার রাজার থ্রোটা নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তের দিকে যখন উড়ে আসছিল, তখন ক্রিজে পৌঁছেও ব্যাটটা শূন্যে তুলে রেখেছিলেন মুমিনুল। তাঁর এই অমার্জনীয় মধ্যাহ্নবিরতির আগমুহূর্তে বেশ বিপদের মধ্যেই ফেলে দেয় বাংলাদেশকে। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে মুমিনুল যেভাবে খেলছিলেন, তা অনায়াসেই বড় একটা জুটির জন্ম দিতে পারত। কিন্তু মুমিনুলের বোকামি ভেস্তে দেয় সবকিছুই।
ব্যাটিং অর্ডারে আজ মাহমুদউল্লাহকে একটু ওপরেই তুলে আনা হয়েছে। তাঁর ওপর রাখা কোচের আস্থার প্রতিদান অবশ্য এই অলরাউন্ডার বেশ ভালোভাবেই দিচ্ছেন। আপাতত তিনি অপরাজিত আছেন ৪২ রানে। ১০১ বল খেলে বেশ দৃঢ়তার সঙ্গেই তিনি সাজাচ্ছেন নিজের ইনিংস।
সাকিবের রানআউটের পর মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী হয়েছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। মুশফিক অপরাজিত ২১ রানে। এই জুটির সাফল্যের ওপরই এই মুহূর্তে নির্ভর করছে বাংলাদেশের ইনিংসের গতি-প্রকৃতি।
দুই ‘ভায়রা ভাই’ কী পারবেন দলকে ভালো একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে?

No comments:
Post a Comment