সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত রাজবাড়ী কৃষক লীগের সভাপতি ও পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী নাদের হোসেন (৬৫) গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মোটরসাইকেলে করে উপজেলা সদরে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন নাদের। পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাঁকে প্রথমে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
প্রথম আলোকে দেওয়া ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক স্বপন কুমার বিশ্বাসের ভাষ্য, রাত ১২টার দিকে আকস্মিকভাবে নাদেরের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য নাদেরের মরদেহ আজ শনিবার সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুপুরে তাঁর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নাদেরের বাড়ি হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে। তাঁর ছেলে মোস্তফা মাহমুদের ভাষ্য, বাবা সৎ ও নিষ্ঠাবান ছিলেন। তিনি এলাকায় সমাজ সংস্কারমূলক প্রচুর কাজ করেছেন। তিনি সন্ত্রাসকে ঘৃণা করতেন। এ কারণে দলের মধ্যে একটি অংশ তাঁকে অপছন্দ করতেন।
পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মোটরসাইকেলে করে উপজেলা সদরে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন নাদের। পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাঁকে প্রথমে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
প্রথম আলোকে দেওয়া ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক স্বপন কুমার বিশ্বাসের ভাষ্য, রাত ১২টার দিকে আকস্মিকভাবে নাদেরের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য নাদেরের মরদেহ আজ শনিবার সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুপুরে তাঁর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নাদেরের বাড়ি হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে। তাঁর ছেলে মোস্তফা মাহমুদের ভাষ্য, বাবা সৎ ও নিষ্ঠাবান ছিলেন। তিনি এলাকায় সমাজ সংস্কারমূলক প্রচুর কাজ করেছেন। তিনি সন্ত্রাসকে ঘৃণা করতেন। এ কারণে দলের মধ্যে একটি অংশ তাঁকে অপছন্দ করতেন।
পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।
No comments:
Post a Comment