আল-কায়েদার বর্তমান প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি জঙ্গি তৎপরতায় মগজধোলাই করছেন। তরুণেরা ফাঁদে পা দিচ্ছেন। তরুণদেরকেই টার্গেট করা হচ্ছে। জাওয়াহিরি উন্মাদ। তাঁর উন্মাদনা তরুণদের টার্গেট করছে।
আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চে এক আবেদনের শুনানিকালে এসব কথা বলেন বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।
জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া আসিফ আদনানের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে ওই আবেদনটি করে রাষ্ট্রপক্ষ।
আবেদনটির ওপর শুনানিকালে আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের ষড়যন্ত্র ও তৎপরতার তথ্য উঠে এসেছে। এটি আশঙ্কার ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিষয়।
শুনানি নিয়ে আদালত আগামী রোববার আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
আবেদনের ওপর আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আসিফের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ।
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন আসিফ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এক মামলায় গত ১০ নভেম্বর তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নিজামুল হক ও বিচারপতি এস এইচ মো. নূরুল হুদা জায়গীরদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসিফের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে ওই আদেশ দেন। পুলিশ প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত তাঁকে জামিন দেওয়া হয়।
হাইকোর্টে জামিন শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, আসিফের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো অপরাধ সংঘটনের কথা বলতে পারেনি পুলিশ। আবেদনকারীর বাবা একজন সাবেক বিচারক। তিনি উচ্চ শিক্ষিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। তিনি পালিয়ে যাবেন না। আদালত চাইলে তাঁর পাসপোর্ট রেখে দিতে পারেন।
রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, আসামি আল-কায়েদা নেতা জাওয়াহিরি বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্রিটেন থেকে আসা আইএস জঙ্গির সঙ্গে যোগাযোগ ও সভা করেছেন। অপরাধের ষড়যন্ত্র করাও অপরাধ। বিদেশে অপরাধ করার পরিকল্পনা করলেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অপরাধ। এ ধরনের আসামি জামিন পেতে পারে না।
শুনানি শেষে আসিফের অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট।
গত সেপ্টেম্বরের শেষে দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে আসিফসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর ডিবি দাবি করে, ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জন্য কর্মী সংগ্রহ করতে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এক বাংলাদেশি ছয় মাস ধরে এদেশে অবস্থান করছেন। ওই দুইজন গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য দিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া আসিফ আদনানের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে ওই আবেদনটি করে রাষ্ট্রপক্ষ।
আবেদনটির ওপর শুনানিকালে আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের ষড়যন্ত্র ও তৎপরতার তথ্য উঠে এসেছে। এটি আশঙ্কার ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিষয়।
শুনানি নিয়ে আদালত আগামী রোববার আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
আবেদনের ওপর আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আসিফের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ।
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন আসিফ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এক মামলায় গত ১০ নভেম্বর তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নিজামুল হক ও বিচারপতি এস এইচ মো. নূরুল হুদা জায়গীরদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসিফের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে ওই আদেশ দেন। পুলিশ প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত তাঁকে জামিন দেওয়া হয়।
হাইকোর্টে জামিন শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, আসিফের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো অপরাধ সংঘটনের কথা বলতে পারেনি পুলিশ। আবেদনকারীর বাবা একজন সাবেক বিচারক। তিনি উচ্চ শিক্ষিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। তিনি পালিয়ে যাবেন না। আদালত চাইলে তাঁর পাসপোর্ট রেখে দিতে পারেন।
রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, আসামি আল-কায়েদা নেতা জাওয়াহিরি বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্রিটেন থেকে আসা আইএস জঙ্গির সঙ্গে যোগাযোগ ও সভা করেছেন। অপরাধের ষড়যন্ত্র করাও অপরাধ। বিদেশে অপরাধ করার পরিকল্পনা করলেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অপরাধ। এ ধরনের আসামি জামিন পেতে পারে না।
শুনানি শেষে আসিফের অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট।
গত সেপ্টেম্বরের শেষে দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে আসিফসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর ডিবি দাবি করে, ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জন্য কর্মী সংগ্রহ করতে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এক বাংলাদেশি ছয় মাস ধরে এদেশে অবস্থান করছেন। ওই দুইজন গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য দিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
No comments:
Post a Comment