চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবাসে ককটেল হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করেছে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার রাতে মামলা দুটি করা হয়।
হামলার ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ পাহারায় শিক্ষকদের বাস গেছে। তবে শিক্ষক ও সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল কম।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল প্রথম আলোকে বলেন, হামলার ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রবিউল আলম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এতে অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়। হাটহাজারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনজুর আহমেদ বাদী হয়ে অপর মামলাটি করেন। মামলাটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আবু বকর সিদ্দিকুল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকারসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ জানান, হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে শিবিরের পাঁচ কর্মীসহ অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়। এ ছাড়া রাতে ক্যাম্পাসে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু রামদা, কিরিচ ও ককটেল উদ্ধার করা হয়। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় যাদের আটক করা হয়েছে, তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। ঘটনার সঙ্গে সত্যিকারে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়গামী দুটি বাসে ককটেল হামলায় শিক্ষকসহ ১৪ জন আহত হন। পুলিশ ও শিক্ষকদের অভিযোগ, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট আহ্বানকারী ছাত্রশিবিরের কর্মীরাই এ হামলা চালান। ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার এ ঘটনায় তাঁদের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটেছে।
No comments:
Post a Comment