কয়েক বছরের ‘নিষেধাজ্ঞা’ কাটিয়ে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা।
আজ মঙ্গলবার এএফপির খবরে এ কথা জানানো হয়।
২০০৫ সালে মোদিকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০০২ সালে গুজরাটে হিন্দু-মুসলমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উসকানি দিয়েছিলেন তিনি। মোদি অবশ্য বরাবর অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। ভারতের কোনো আদালতও তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের প্রমাণ পাননি।
এর পরও গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আনা এক প্রস্তাবে মোদিকে ভিসা না দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। গত মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে বদলে যায় প্রেক্ষাপট। মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটা বুঝতে পেরেই মার্কিন প্রশাসন ইঙ্গিত দেয়, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখতে মোদির বাধা নেই।
হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও নিবিড় ও বিস্তৃত করতে দুই নেতা পারস্পরিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। কীভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করা যায়, নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানো যায়, কী ধরনের কাজের মাধ্যমে উভয় দেশ ও বিশ্বের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা আনা যায়, এসব নিয়ে আলোচনা করবেন তাঁরা। আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরাকসহ আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়ে ওবামা ও মোদি আলোচনা করবেন বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।
আজ মঙ্গলবার এএফপির খবরে এ কথা জানানো হয়।
২০০৫ সালে মোদিকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০০২ সালে গুজরাটে হিন্দু-মুসলমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উসকানি দিয়েছিলেন তিনি। মোদি অবশ্য বরাবর অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। ভারতের কোনো আদালতও তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের প্রমাণ পাননি।
এর পরও গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আনা এক প্রস্তাবে মোদিকে ভিসা না দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। গত মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে বদলে যায় প্রেক্ষাপট। মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটা বুঝতে পেরেই মার্কিন প্রশাসন ইঙ্গিত দেয়, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখতে মোদির বাধা নেই।
হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও নিবিড় ও বিস্তৃত করতে দুই নেতা পারস্পরিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। কীভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করা যায়, নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানো যায়, কী ধরনের কাজের মাধ্যমে উভয় দেশ ও বিশ্বের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা আনা যায়, এসব নিয়ে আলোচনা করবেন তাঁরা। আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরাকসহ আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়ে ওবামা ও মোদি আলোচনা করবেন বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।

No comments:
Post a Comment